Which of the following is harmful for a computer?

Updated: 5 months ago
  • Excessive temperature
  • Dust
  • Water
  • Virus
  • All of these are harmful
778
উত্তরঃ

ক্রিমিয়ার যুদ্ধে আহত সৈনিকদের সেবা দান করে বিশ্বে নজির স্থাপন করায় ‘লেডি উইথ দ্যা ল্যাম্প’ উপাধিতে ভূষিত করা হয় ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলকে। তার এই কীর্তিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য ‘নাসিং’ –এ ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

হার্ডওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণ (Hardware Maintenance) হলো কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার উপাদানের সঠিক কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে এবং তাদের কার্যক্ষমতা বজায় রাখতে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের প্রক্রিয়া। এটি কম্পিউটার, ল্যাপটপ, প্রিন্টার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস এবং অন্যান্য পেরিফেরাল ডিভাইসের রক্ষণাবেক্ষণ এবং মেরামত কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করে। হার্ডওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে ডিভাইসগুলির দীর্ঘস্থায়িতা বৃদ্ধি পায় এবং সমস্যাগুলির সমাধান দ্রুত করা সম্ভব হয়।

হার্ডওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণের ধরণ:

১. প্রতিরোধমূলক রক্ষণাবেক্ষণ (Preventive Maintenance):

  • প্রতিরোধমূলক রক্ষণাবেক্ষণ হলো নিয়মিত এবং পরিকল্পিত রক্ষণাবেক্ষণ, যা হার্ডওয়্যার ডিভাইসগুলির দীর্ঘমেয়াদী কার্যক্ষমতা বজায় রাখতে সহায়ক। এতে বিভিন্ন পরিষ্কারকরণ, পরীক্ষা, এবং হার্ডওয়্যারের অবস্থার পর্যবেক্ষণ অন্তর্ভুক্ত থাকে।
  • উদাহরণ: নিয়মিত ডাস্টিং, কুলিং ফ্যান পরিষ্কার করা, কেবলের সংযোগ চেক করা।

২. করেক্টিভ রক্ষণাবেক্ষণ (Corrective Maintenance):

  • করেক্টিভ রক্ষণাবেক্ষণ হলো ডিভাইসে সমস্যা বা ত্রুটি সনাক্ত হওয়ার পর সেটিকে মেরামত করা। এটি সমস্যার দ্রুত সমাধান এবং হার্ডওয়্যারের কার্যকারিতা পুনরুদ্ধার করতে সহায়ক।
  • উদাহরণ: কুলিং সিস্টেমের ত্রুটি মেরামত করা, হার্ড ড্রাইভ প্রতিস্থাপন করা।

হার্ডওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণের প্রধান কাজ:

১. কম্পিউটার পরিষ্কারকরণ:

  • ধুলোবালি এবং ময়লা কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ উপাদানগুলির কার্যকারিতা ব্যাহত করতে পারে। নিয়মিত ডাস্টিং এবং ক্লিনিং কম্পিউটারের ফ্যান, হিটসিঙ্ক, এবং অন্যান্য উপাদান পরিষ্কার করে এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

২. কেবল এবং সংযোগের পরীক্ষা:

  • কেবল এবং সংযোগ সঠিকভাবে বসানো আছে কিনা তা পরীক্ষা করা জরুরি। কখনো কখনো শিথিল বা ক্ষতিগ্রস্ত কেবল সমস্যার কারণ হতে পারে।

৩. হার্ডওয়্যার উপাদান চেক:

  • র‌্যাম, হার্ড ড্রাইভ, মাদারবোর্ড, এবং পাওয়ার সাপ্লাই-এর মতো উপাদান নিয়মিত পরীক্ষা করা প্রয়োজন। এতে ডিভাইসের কর্মক্ষমতা নিশ্চিত করা যায় এবং কোনো ত্রুটি থাকলে দ্রুত সমাধান করা সম্ভব হয়।

৪. সফটওয়্যার আপডেট এবং ড্রাইভার ইনস্টলেশন:

  • হার্ডওয়্যার ড্রাইভার এবং ফার্মওয়্যার নিয়মিত আপডেট করতে হবে, যাতে হার্ডওয়্যার উপাদান সঠিকভাবে কাজ করতে পারে।

৫. ব্যাটারি এবং পাওয়ার সাপ্লাই পরীক্ষা:

  • ল্যাপটপের ব্যাটারি বা কম্পিউটারের পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট (PSU) পরীক্ষা করে দেখতে হবে এটি সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাটারি বা পাওয়ার সাপ্লাই সিস্টেমের সঠিক কার্যকারিতা ব্যাহত করতে পারে।

হার্ডওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণের সুবিধা:

১. কম খরচে দীর্ঘমেয়াদী সমাধান:

  • নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ডিভাইসের কার্যকারিতা বাড়ায় এবং বড় ত্রুটি বা মেরামতের খরচ কমিয়ে দেয়।

২. কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি:

  • পরিষ্কার এবং সঠিকভাবে মেইনটেন করা হার্ডওয়্যার সিস্টেমের পারফরম্যান্স উন্নত করে এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে, যা ডিভাইসের গতি এবং স্থায়িত্ব বাড়ায়।

৩. বিপদ এড়ানো:

  • প্রতিরোধমূলক রক্ষণাবেক্ষণ হার্ডওয়্যারের সম্ভাব্য ত্রুটি আগেই শনাক্ত করে এবং তা থেকে রক্ষা করে, যা সিস্টেম ফেইলিউরের ঝুঁকি কমায়।

৪. ব্যবহারকারীর সন্তুষ্টি:

  • সঠিকভাবে মেইনটেন করা ডিভাইস ব্যবহারকারীদের দীর্ঘমেয়াদী সন্তুষ্টি প্রদান করে, কারণ তারা কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিভাইসের সঙ্গে কম সমস্যা সম্মুখীন হন।

হার্ডওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণের সময় যা খেয়াল রাখতে হবে:

১. অ্যান্টি-স্ট্যাটিক প্রিকশনস:

  • হার্ডওয়্যার মেরামতের সময় অ্যান্টি-স্ট্যাটিক ম্যাট বা ব্রেসলেট ব্যবহার করতে হবে, যাতে ইলেকট্রোস্ট্যাটিক ডিসচার্জ (ESD) থেকে হার্ডওয়্যারের ক্ষতি এড়ানো যায়।

২. সঠিক সরঞ্জাম ব্যবহার:

  • রক্ষণাবেক্ষণের সময় সঠিক সরঞ্জাম (যেমন স্ক্রুড্রাইভার, এয়ার ব্লোয়ার) ব্যবহার করতে হবে, যাতে ডিভাইস ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

৩. বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা:

  • কাজ করার আগে অবশ্যই ডিভাইসের পাওয়ার কেবল খুলে নিতে হবে, যাতে দুর্ঘটনা বা শর্ট সার্কিট এড়ানো যায়।

৪. ডকুমেন্টেশন এবং ট্র্যাকিং:

  • কোন ডিভাইসে কি কাজ করা হয়েছে তা ডকুমেন্ট করা জরুরি। এতে পরবর্তীতে সমস্যার ইতিহাস জানা যায় এবং সমস্যার সমাধান করা সহজ হয়।

সারসংক্ষেপ:

হার্ডওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণ হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া, যা ডিভাইসের দীর্ঘমেয়াদী কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। এটি প্রতিরোধমূলক এবং করেক্টিভ রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ কম খরচে কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং হার্ডওয়্যার ত্রুটির ঝুঁকি কমায়। সঠিক সরঞ্জাম এবং প্রিকশন নিয়ে কাজ করলে হার্ডওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণ কার্যকরী ও নিরাপদ হয়।

শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই